‘এক যে ছিল মালী / সে দিল তিন তালি । শেষ তালিতে ফুটল ডিম / অতঃ কিম্
আব্বাসউদ্দিন নামক তরতাজা সুগন্ধি মুকুলের ফুল হয়ে ফোঁটা। সেইসব সাহচর্য এবং নিজের গায়করূপে প্রকাশের পেছনে নানারকম টানাপোড়েনের এক অসাধারণ চিত্তাকর্ষক স্মৃতিচারণ- ‘আমার শিল্পী জীবনের কথা’। মরমি কণ্ঠের এই শিল্পীর কণ্ঠনিঃসৃত ‘আল্লা মেঘ দে পাণি দে’
রোমান্টিকতা না থাকলে বিপ্লবী হওয়া যায় না- এমনটিই জেনেছি আমরা শৈশব থেকে। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম বিপ্লবী— মাও সেতুং আমাদের স্বপ্নে বুনে দিয়েছিলেন নতুন মন্ত্র-সঙ্গীত। দিনবদলের স্বপ্ন দেখেছি তাঁকে ঘিরে। তবু তাঁর অপার-অনুভবের কবিতাগুলি অধরাই থেকেছিল অনেক দিন। সে অভাব পূরণের লক্ষ্যেই এই গ্রন্থ। ‘জানো কি
পরের বাসা দেখেও কোকিলার কোনোদিন ঘর বাঁধার সাধ জাগেনি। কিন্তু তা বলে জীবনের কোথাও কিছু কম পড়েনি তার। বসন্তের উৎসবে তার নিত্য নিমন্ত্রণ। তেমনই যাযাবর বৃত্তি ভুলে ঘর বাঁধা সমাজের আঙিনাতেও কিছু ঘরভোলার পায়ের ছাপ পড়ে। সামাজিক বিবাহিত জীবনের চেনা দুঃখ-চেনা সুখের বাইরে ছড়িয়ে থাকে তাদের ভিন্ন গৃহস্থালির চেনা চেনা হাসিমুখের কিছু সংলাপ। অবিবাহিত মানুষগুলোর কাছে যাপনের সংজ্ঞাটা ঠিক কেমন
গোদার ও তারকোভস্কির মতো পরবর্তী চলচ্চিত্র স্রষ্টাদের। এই ছবি প্রকৃত শিল্পীর যুগপৎ আত্মজীবনী ও আত্মার বিবরণী। ‘অরফি’-কে ঘিরে রেখেছে পরাবাস্তবতার বলয়। অথচ তা বোঝার অন্তরায় হয়নি। ‘অরফি’ মৃত্যু আর সুন্দরের জ্যান্ত সংলাপ।
আটদশক সাতকাহন বারিমন ও সন্তরণ ‘এক যে ছিল মালী /Aatdashak Satkahan : : 232 , , , (cm) : 14 (l) X 21. 5 (b) X 1. 8 (h)